এবার বাংলাদেশি তরুণীর ভারতের প*র্নোগ্রাফিতে কাঁপছে দেশ, ভিডিও লিংকসহ

Image
 এবার বাংলাদেশি তরুণীর ভারতের প*র্নোগ্রাফিতে কাঁপছে দেশ, ভিডিও লিংকসহ আসামের গুয়াহাটিতে একটি হোটেলে পর্নোগ্রাফি তৈরির সময় হাতেনাতে আটক হয়েছেন এক বাংলাদেশি তরুণীসহ তিনজন। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ডিসপুর পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গুয়াহাটির সুপার মার্কেট এলাকায় একটি হোটেলে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে ২২ বছর বয়সী বাংলাদেশি তরুণী মীন আখতার এবং আসামের দুই বাসিন্দা শফিকুল ও জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। হোটেল কক্ষ থেকে এমন কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে পর্নোগ্রাফি তৈরি করার পরিকল্পনা চলছিল। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে মীন আখতার জানান, তিনি বৈধ ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে আসামে প্রবেশ করেছেন। চাকরির প্রলোভনে সীমান্ত পেরিয়ে আসেন তিনি। তবে কিভাবে ও কার সহযোগিতায় তিনি ভারতে প্রবেশ করেছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। পুলিশের ধারণা, এই ঘটনায় আরও বড় কোনো চক্র জড়িত থাকতে পারে। গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের সন্ধান বের করার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ...

ল’জ্জা স্থানে মুখ দেওয়া কী জায়েজ…see more

 ল’জ্জা স্থানে মুখ দেওয়া কী জায়েজ…see more



দাম্পত্য জীবন ইসলামে অত্যন্ত সম্মানজনক ও পবিত্র একটি সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা, পারস্পরিক সম্মান এবং বৈধ উপায়ে একে অপরের চাহিদা পূরণের অনুমতি ইসলাম দিয়েছে। তবে অনেক দম্পতির মনে প্রশ্ন জাগে—স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ সম্পর্কের ক্ষেত্রে লজ্জাস্থানে মুখ দেওয়ার বিধান কী?


ইসলামী ফিকহের বিভিন্ন গ্রন্থে এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। অনেক আলেমের মতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এমন কাজ স্পষ্টভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়নি, তবে এটি অপছন্দনীয় (মাকরুহ) এবং শালীনতার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে, কিছু সমসাময়িক আলেমের মতে, যদি এতে কোনো হারাম বিষয় না থাকে, কোনো ক্ষতির আশঙ্কা না থাকে এবং উভয়ের সম্মতি থাকে, তাহলে এটিকে সরাসরি হারাম বলা যায় না।


তবে অধিকাংশ আলেমই পরামর্শ দেন যে, মুসলিম দম্পতিদের এমন আচরণ থেকে বিরত থাকা উচিত যা মানবিক মর্যাদা, পরিচ্ছন্নতা ও ইসলামী আদবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশেষ করে নাপাক বস্তু মুখে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে।


ইসলামে দাম্পত্য জীবনের মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান, ভালোবাসা এবং শালীনতা। তাই স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উচিত এমন আচরণ করা, যা একে অপরের সম্মান বজায় রাখে এবং ইসলামী নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।


সবশেষে বলা যায়, এ বিষয়ে বিভিন্ন ফিকহি মত রয়েছে। তাই ব্যক্তি যদি এ নিয়ে দ্বিধায় থাকেন, তাহলে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞানসম্পন্ন কোনো নির্ভরযোগ্য আলেম বা মুফতির কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়াই উত্তম। ইসলামী বিধান সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টের পরিবর্তে নির্ভরযোগ্য ধর্মীয় উৎসের ওপর নির্ভর করাই উচিত।

Comments

Popular posts from this blog

এবার বাংলাদেশি তরুণীর ভারতের প*র্নোগ্রাফিতে কাঁপছে দেশ, ভিডিও লিংকসহ

স্বামী স্ত্রী একে অপরের দ্বারা হ'স্তমৈ'থুন করা কি জায়েজ: ইসলামের যা বলছে

যে গো'পন বিষয়গুলি মেয়েরা কখনোই ছেলেদের কাছে বলে না ৪ নাম্বারটা জা'নলে অ'বাক হবেন!..more